
ইন্দাসে বাবার মৃত্যু মামলা: বিজেপি নেতাসহ গ্রেফতার ৮

বাঁকুড়ার ইন্দাস থানার করিশুণ্ডা গ্রামে শেখ মহম্মদ মাফিকের মৃত্যুর ঘটনায় বিজেপি নেতাসহ আট জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পরিবারের অভিযোগ, তাঁর ছেলে দিল্লিতে ককরোচ জনতা পার্টির একটি কর্মসূচিতে যোগ দেওয়ার পর থেকেই তাঁদের উপর হামলার ঘটনা ঘটে।
ইন্দাসে কী ঘটেছিল?
পরিবারের দাবি, শেখ আব্দুল হাফিজ জুলাই মাসে দিল্লিতে ককরোচ জনতা পার্টির একটি কর্মসূচিতে যোগ দিতে গিয়েছিলেন। সেখানে যাওয়ার পর থেকেই তাঁকে এবং তাঁর পরিবারকে ঘিরে হামলার পরিস্থিতি তৈরি হয় বলে অভিযোগ। ছেলেকে রক্ষা করতে গিয়ে তাঁর বাবা শেখ মহম্মদ মাফিকও মারধরের শিকার হন বলে পরিবারের দাবি।
কী ভাবে মৃত্যু হল শেখ মহম্মদ মাফিকের?
পরিবারের বক্তব্য অনুযায়ী, বাবা ও ছেলে দু’জনেই গুরুতর জখম হন। হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসার পর বাড়ি ফেরার সময়ও ফের হামলার অভিযোগ ওঠে। পরে মাফিকের শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। ১৫ অগস্ট বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে তাঁর মৃত্যু হয় বলে জানা গিয়েছে।
বিজেপি নেতাসহ ৮ জন গ্রেফতার
ঘটনার তদন্তে পুলিশ আট জনকে গ্রেফতার করেছে। তাঁদের মধ্যে এক জন বিজেপি নেতাও রয়েছেন। তবে গ্রেফতার হওয়া ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ তদন্ত ও আইনি প্রক্রিয়ার মধ্যেই রয়েছে; আদালতে প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত কাউকে দোষী হিসেবে চিহ্নিত করা হচ্ছে না।
কেন রাজনৈতিক বিতর্ক?
ছেলের ককরোচ জনতা পার্টির কর্মসূচিতে যোগ দেওয়ার সঙ্গে হামলার ঘটনাকে যুক্ত করেছে পরিবার। তাঁদের অভিযোগের নিশানা বিজেপি-ঘনিষ্ঠ ব্যক্তিদের দিকে। ফলে ঘটনাটি রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি করেছে। তবে হামলার প্রকৃত কারণ, প্রত্যেক অভিযুক্তের ভূমিকা এবং মৃত্যুর সঙ্গে হামলার যোগসূত্র তদন্তেই স্পষ্ট হবে।
এখন কী হবে?
পুলিশের তদন্তে হামলার ধারাবাহিকতা, আহতদের চিকিৎসা সংক্রান্ত তথ্য, প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য এবং গ্রেফতার হওয়া ব্যক্তিদের ভূমিকা খতিয়ে দেখা হবে। তদন্ত ও আদালতের পরবর্তী পদক্ষেপের উপরেই মামলার গতিপথ নির্ভর করবে।
যাচাই করা নতুন তথ্য পাওয়া গেলে এই প্রতিবেদন আপডেট করবে Rashtrix।




Comments