
দার্জিলিং, শান্তিনিকেতন, বিষ্ণুপুর, দিঘার সঙ্গে জুটি কলকাতার, সংস্কৃতি-নির্ভর পর্যটনে জোর রাজ্যের

কলকাতা: উৎসব, কারুশিল্প, খাদ্য সংস্কৃতি, সঙ্গীত ও স্থাপত্যকে কেন্দ্র করে পর্যটন বৃদ্ধির নতুন কৌশল সাজাচ্ছে পশ্চিমবঙ্গ, যেখানে কলকাতাকে জুড়ে দেওয়া হচ্ছে দার্জিলিং, শান্তিনিকেতন, বিষ্ণুপুর, পুরুলিয়া এবং দিঘার সঙ্গে— রাজ্যের সবচেয়ে জনপ্রিয় গন্তব্যগুলিতেই উন্নয়ন কেন্দ্রীভূত না রেখে।
কলকাতার শহুরে ঐতিহ্যকে ছোট সাংস্কৃতিক কেন্দ্র, কারুশিল্পী সম্প্রদায় এবং তীর্থস্থানের সঙ্গে জুড়ে দেওয়াই এই পদ্ধতির লক্ষ্য, যেখানে হেরিটেজ ওয়াক, কারুশিল্প কর্মশালা, গ্রামীণ থাকার ব্যবস্থা এবং আঞ্চলিক খাদ্য অভিজ্ঞতাকে এই বৃহত্তর নেটওয়ার্কের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
দার্জিলিং এবং কালিম্পঙে ভিড়ের চাপ সামলাতে গিয়েই এই কৌশল নিচ্ছে রাজ্য, প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে ভবিষ্যৎ উন্নয়নে গন্তব্যের ধারণক্ষমতা এবং পরিকাঠামোর দিকটিও বিবেচনা করা হবে। পর্যটন শিল্প সংশ্লিষ্টদের মতে, দার্জিলিং, দিঘা, কলকাতা, শান্তিনিকেতন এবং মায়াপুরে অভিজ্ঞতামূলক ভ্রমণ, হেরিটেজ ট্যুরিজম এবং ইকো-ট্যুরিজমের চাহিদা ক্রমশ বাড়ছে।
পূর্ব ভারতের প্রবেশদ্বার হিসেবে পরিচিতির বাইরে গিয়ে কলকাতাকেও পৃথক পর্যটন গন্তব্য হিসেবে তুলে ধরার প্রয়োজনীয়তার কথা বলছেন আধিকারিকরা, শহরের প্রায় ৩৫০ বছরের ইতিহাস, ঔপনিবেশিক স্থাপত্য এবং নদীতীরকে হেরিটেজ ওয়াক ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের যথাযথ ভিত্তি হিসেবে উল্লেখ করে।




Comments