top of page

বিদেশি প্রভাব রুখতে বিল, সাধারণ নীতিতে অনুমোদন ইরানের সংসদের

Writer: Rashtrix News Desk
Rashtrix News Desk
Aug 17
1 min read

ইরানের সংসদ বিদেশি প্রভাব এবং ইসলামি প্রজাতন্ত্রের কাছে ‘শত্রুভাবাপন্ন’ হিসেবে বিবেচিত বিদেশি সংবাদমাধ্যম ও সংস্থার সঙ্গে যোগাযোগে আরও কড়া বিধিনিষেধ আনার একটি বিলের সাধারণ নীতিতে অনুমোদন দিয়েছে। তবে বিলটি এখনও আইন হয়ে যায়নি। প্রতিটি ধারা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা ও চূড়ান্ত অনুমোদনের পর সেটি গার্ডিয়ান কাউন্সিলের পর্যালোচনার মুখোমুখি হবে।

ইরানের সংসদ কী অনুমোদন করেছে?

সংসদ বিলটির মূল কাঠামো অনুমোদন করেছে। প্রস্তাবে বিদেশি সংবাদমাধ্যম ও সংস্থার সঙ্গে নির্দিষ্ট ধরনের যোগাযোগে নতুন বিধিনিষেধ আনার কথা বলা হয়েছে। ইরানের নিরাপত্তা পরিস্থিতি এবং বিদেশি প্রভাব নিয়ে বাড়তে থাকা উদ্বেগের মধ্যেই এই পদক্ষেপ।

বিলে কী বদল আসতে পারে?

  • ইরানের কাছে শত্রুভাবাপন্ন হিসেবে বিবেচিত বিদেশি সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে অনুমতি ছাড়া নির্দিষ্ট যোগাযোগ অপরাধ হিসেবে গণ্য হতে পারে।

  • বিদেশি দূতাবাস ও সংস্থার সঙ্গে কিছু যোগাযোগের ক্ষেত্রে সরকারি অনুমতির প্রয়োজন হতে পারে।

  • জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি হিসেবে বিবেচিত কিছু কাজের ক্ষেত্রে জরিমানা ও অন্যান্য শাস্তির প্রস্তাব রয়েছে।

  • বিদেশি নির্দেশনা বা তত্ত্বাবধানে গুরুতর কর্মকাণ্ডের ক্ষেত্রে আরও কঠোর কারাদণ্ডের বিধান থাকতে পারে।

বিলটি কি ইতিমধ্যেই আইন?

না। সংসদ শুধু সাধারণ নীতিতে অনুমোদন দিয়েছে। এখন বিলের প্রতিটি ধারা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা ও ভোট হবে। সংসদের চূড়ান্ত অনুমোদনের পর গার্ডিয়ান কাউন্সিলের পর্যালোচনা শেষ না হওয়া পর্যন্ত এটি কার্যকর আইন হবে না।

কেন গুরুত্বপূর্ণ?

পশ্চিমা দেশ ও ইজরায়েলের সঙ্গে উত্তেজনার আবহে বিদেশি প্রভাব নিয়ন্ত্রণে ইরানের আইনি কাঠামো আরও কঠোর করার ইঙ্গিত দিচ্ছে এই বিল। চূড়ান্ত ভাষা অনুযায়ী সাংবাদিক, কর্মী ও বিদেশি সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে যোগাযোগকারী ব্যক্তিদের উপরও এর প্রভাব পড়তে পারে।

এর পর কী?

সংসদে বিলের প্রতিটি ধারা নিয়ে আলোচনা চলবে। শেষ পর্যন্ত কোন বিধান কার্যকর হবে, তা নির্ভর করবে চূড়ান্ত পাঠ, সংসদের অনুমোদন এবং গার্ডিয়ান কাউন্সিলের পর্যালোচনার উপর।

Comments


bottom of page